দুপুরের আগে দেখা মেলে না সূর্যের, তীব্র শীতে কাঁপছে মানুষ

পৌষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শীতের তীব্রতা বেড়েছে দিনাজপুর জেলায়। তিন দিন ধরে এ জেলায় মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য সূর্যের দেখা মিলেছে। প্রতিদিনই সূর্য দেখা যায় দুপুর ১টার পর, থাকছে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। কিছু সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও রোদের প্রখরতা একেবারেই কম।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে সূর্যের দেখা মেলে। ৩টার দিকে সেটি ঢাকা পড়ে কুয়াশার চাদরে। এদিকে, সপ্তাহের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সঙ্গে হিমেল বাতাস কাঁপাচ্ছে হাড়।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আজ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত সপ্তাহে (বুধবার) যা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শীতে কাবু হয়ে নিস্তেজ বসে আছে প্রাণীটি

আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘মঙ্গলবার পঞ্চগড়, সৈয়দপুর, পাবনা, নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গা ও শ্রীমঙ্গলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। দিনাজপুরেও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘বাতাসের আর্দ্রতা ও গতিবেগের ওপর শীতের তীব্রতা বিরাজ করে। বাতাসের কারণেই বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। মঙ্গলবার এই জেলায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪-৬ কিলোমিটার। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ১০-১২ কিলোমিটারে উন্নীত হয়।’

শীতের তীব্রতায় বিপাকে পড়েছেন এই এলাকার মানুষ। দুস্থ মানুষের বেড়েছে শীতবস্ত্রের চাহিদা। বিভিন্ন সংগঠন শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও তা অপ্রতুল।

রাজবাটী হঠাৎপাড়া এলাকার সমশের উদ্দিন জানান, এখন গরিব-দুঃখী মানুষের কম্বল প্রয়োজন। এলাকায় এখনও কম্বল বিতরণ করা হয়নি। এ জন্য তিনি বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেন।