দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে ক্রেতা সংকটে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকরা। পেঁয়াজে গাছ গজানোয় কিনতে চাচ্ছেন না পাইকাররা। নতুন করে শুল্ক বাড়ায় পেঁয়াজ আমদানি করে লোকসানে পড়েছেন বন্দরের আমদানিকারকরা।
পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মেহেরপুর ও পাবনা অঞ্চলে মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠেছে। এ কারণে বাজারে এখন দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। এই পেঁয়াজের মান ভালো হওয়ায় বাজারে চাহিদাও বেশি। একইসঙ্গে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আসার ফলে চাহিদা কমেছে ভারতীয় পেঁয়াজের। তাছাড়া, ভারত থেকে আসা পেঁয়াজে গাছ গজাচ্ছে বলে কেউ কিনতে চাচ্ছেন না। এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন বলেন, ১ জানুয়ারি থেকে পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক পাঁচ ভাগ থেকে বাড়িয়ে ১০ করেছে সরকার। বর্তমানে বন্দরে ইন্দোর জাতের পুরনো পেঁয়াজ ১৮-২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ইন্দোর জাতের নতুন ছোট পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫-২৬ টাকায়। ইন্দোর জাতের নতুন মোটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৬-৩৭ টাকায়। এ ছাড়া নাসিক জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪১-৪২ টাকা দরে।
পাইকার আব্দুল গফুর বলেন, দেশে পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বন্দর দিয়ে যেসব পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে তাতে গাছ হচ্ছে। এ কারণে আমরা ঠিকমতো কিনতে পারছি না।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে পরিমাণ কিছুটা কমেছে। গড়ে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হলেও এখন তা কমে ১৫-২০ ট্রাকে নেমেছে। মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) বন্দর দিয়ে ১৬টি ট্রাকে ৪৪২ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।