সারাদেশের মতো দিনাজপুরের হিলিতেও শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির পর করোনা টিকার প্রথম ডোজ বন্ধ হয়ে যাবে—এমন খবরে ছুটির দিনেও টিকা নিতে ভিড় করছে মানুষ। সকাল থেকেই হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভার টিকাকেন্দ্রে করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে প্রথম ডোজ দেওয়া চালু রয়েছে।
টিকা নিতে আসা শাহিদা বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নানা কারণে আমার এখনও টিকা নেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু ২৬ তারিখের পরে নাকি আর প্রথম ডোজ দেওয়া হবে না। তাই ছুটির দিনেও টিকা দিচ্ছে শুনে টিকা দিতে এসেছি।’
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘টিকা না নিলে কোথাও যেতে পারবো না। কোনও সরকারি অফিস-আদালতে যেতে পারবো না। গাড়িতে উঠতে পারবো না। যার কারণে হাসপাতালে এসেছি টিকার প্রথম ডোজ নিতে।’
কুমুদ এক্কা বলেন, ‘আমার পরিবারের সবাই টিকা নিতে হাসপাতালে এসেছে। ২৬ তারিখের পরে আর নাকি টিকা পাওয়া যাবে না। তাই টিকা নিতে এসেছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শ্যামল কুমার দাস বলেন, ‘২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একযোগে এক কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার কর্মসূচিকে আমরা ১৭ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত বাড়িয়েছি। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা প্রতিদিন করোনার টিকাদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভার স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র চালু রেখেছি। সেই সঙ্গে আমাদের ভ্রাম্যমাণ টিকাকেন্দ্র চালু রয়েছে। তারা আজ আলিহাট ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে অনগ্রসর মানুষকে টিকা দিচ্ছে।