দিনাজপুরের হিলির বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম জাতের গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজ। মৌসুমের নতুন ফল কিনতে দোকানে ভিড় করছেন অনেকে। তবে বেশি দামের কারণে সব শ্রেণির মানুষ কিনতে পারছেন না।
বাজারে তরমুজ কিনতে আসা জোসনা পারভীন বলেন, ‘আমার ছোট মেয়ে বইয়ে তরমুজের ছবি দেখে খেতে চাইছিল। ইচ্ছে ছিল বাজারে পেলে কিনবো। কয়েকদিন ধরেই বাজারে এসেছি, কিন্তু এই তরমুজ খুঁজে পাইনি। আজ (বুধবার) বাজারে এসে দেখছি তরমুজ উঠেছে। ৬০ টাকা কেজি দরে একটা কিনেছি। তবে দাম একটু বেশি। তারপরও কিনলাম।’
ভ্যানচালক সবুজ হোসেন বলেন, ‘বাজারে মৌসুমের নতুন ফল তরমুজ উঠেছে। কেনার ইচ্ছায় দোকানে গিয়ে দাম শুনে খাওয়ার ইচ্ছা চলে গেছে। একটি তরমুজ কিনতে আড়াইশো থেকে তিনশ’ টাকা লাগবে। সারাদিনে আমাদের আয় যা হয়, তা দিয়ে চাল-ডাল কিনবো নাকি তরমুজ কিনে খাবো!’
তরমুজ বিক্রেতা মাহবুব আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতিবছর এই মৌসুমি ফলের ব্যবসা করি। আমাদের অঞ্চলে তরমুজের আবাদ তেমন হয় না। কয়েকটি এলাকাতে আবাদ হলেও এই সময়ে বাজারে আসে না। আমরা বরিশাল থেকে তরমুজ নিয়ে এসে বিক্রি করি। এর স্বাদ ভালো থাকায় বাজারে চাহিদা আছে। দুই দিন ধরে বিক্রি করছি। বেচাকেনা এখনও সেভাবে জমে ওঠেনি। রমজান মাসে বেচাকেনা জমে উঠবে। আগাম হওয়ায় তরমুজের দাম কিছুটা বেশি।
তিনি জানান, বড় আকারের তরমুজ প্রতিকেজি ৬০ টাকা এবং ছোট আকারের তরমুজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পিসপ্রতি খরচ বাদ দিয়ে ১৫-২০ টাকা করে লাভ থাকছে।