৭ ঘণ্টা পর সচল হলো হিলি কাস্টমসের সার্ভার

সাত ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সচল হয়েছে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে কাস্টমসের সার্ভার। এতে আমদানি করা পণ্যের বিল অব এন্ট্রির কাজ শুরু হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় সিস্টেমে ত্রুটি থাকায় আমদানি পণ্য যথাসময়ে ছাড় করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকরা।

শনিবার (১২ মার্চ) বিকাল ৪টায় সিস্টেম সচল হলে পণ্যের বিল এন্ট্রির কাজ শুরু হয়। এর আগে সকাল থেকেই সিস্টেম বিকল থাকার কারণে কার্যক্রম বন্ধ ছিল। একইভাবে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার দুই দিন সার্ভার বন্ধ ছিল।

হিলি স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সোহেল রানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার হিলি স্থলবন্দরের আমাদের পণ্য প্রবেশ করেছে। আজ সেসব পণ্য খালাস নেওয়ার জন্য সকালে কাস্টমসে পণ্যের বিল অব এন্ট্রি সাবমিট করতে যাই। কিন্তু সিস্টেমে ত্রুটির কারণে হয়নি। সেই সকাল থেকে পেপার নিয়ে ঘুরছি, আমার মতো আরও অনেকে একই কাজের জন্য ঘুরছিল। ৪টার দিকে সিস্টেম সচল হলে বিল অব এন্ট্রি সাবমিট করেছি এরপর পরীক্ষণ শুল্কায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘একেতো দেশের বাজারে সরবরাহ ঘাটতির কারণে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এতে সরবরাহ বাড়াতে বন্দর দিয়ে বাড়তি পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করছি। কিন্তু কাস্টমসে সিস্টেমে ত্রুটির কারণে আদা, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি করে সঠিক সময়ে খালাস না নিতে পেরে বিপাকে পড়ছি। অতিরিক্ত গরমে আদা, পেঁয়াজের মান খারাপ হচ্ছে। আবার সঠিক সময়ে বাজার ধরতে না পেরে আমাদের আর্থিকভাবে লোকসান গুনতে হচ্ছে।’

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম নুরুল আলম খান বলেন, ‘হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের সব কার্যক্রম সম্পূর্ণ করা হয় অনলাইনের মাধ্যমে। আমদানি পণ্যের বিল অব এন্ট্রি সাবমিট থেকে শুরু করে আউটপাস পর্যন্ত কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। যা কেন্দ্রীয়ভাবে এনবিআর নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু গত বুধবার থেকে সিস্টেমে সমস্যা দেখা দেয়, একই সমস্যা বৃহস্পতিবারে ছিল। যদিও ওই দুই দিন রাতে সিস্টেম সচল হলে রাত ১০/১১টা পর্যন্ত কাজ করে সব পণ্য ছাড় করেছি। আজ আবারো সেই একই সমস্যা দেখা দেওয়ায় সকাল থেকে কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। এই সমস্যার কারণে শুধু সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারকরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন তা নয়, আমাদেরও রাত ১০-১১টা পর্যন্ত থেকে কাজ করতে হচ্ছে।’