কুড়িগ্রামে বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) থেকে তিন দিনব্যাপী ইজতেমা শুরু হচ্ছে। শহরের পূর্বপান্তে ধরলা সেতুর পূর্বপাড়ে ফজলুল করীম (রহ.) জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে। ইজতেমা সফল করতে ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির ব্যানারে তিন দিনব্যাপী ইজতেমার আয়োজন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
আয়োজকরা জানান, বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর প্রধান বক্তা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই) বয়ান পেশের মাধ্যমে ইজতেমা উদ্বোধন করবেন। আগামী রবিবার ফজরের নামাজের পর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমা শেষ হবে।
ইজতেমা উপলক্ষে গঠিত মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ‘শৃঙ্খলা রক্ষায় ইজতেমা প্রাঙ্গণে তিন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। বুধবার থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইজতেমা মাঠে আসতে শুরু করেছেন। মুসল্লিদের জন্য অজু ও গোসলখানাসহ পর্যাপ্ত শৌচাগারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের স্বাস্থ্য সেবায় ফ্রি মেডিক্যাল চেকআপের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া মুসল্লিরা নিজ ব্যবস্থাপনায় যাতে খাবারের আয়োজন করতে পারেন, সেই সুবিধাও রাখা হয়েছে। আশা করছি শান্তিপূর্ণভাবে তিন দিনের ইজতেমা সম্পন্ন হবে।’
আয়োজক মুজাহিদ কমিটি কুড়িগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ইজতেমা এন্তেজামিয়া কমিটির সদস্য সচিব গোলজার হোসেন জানান, তিন দিনব্যাপী মিনি ইজতেমায় চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম উপস্থিত থেকে বয়ান পেশ করবেন। এছাড়া দেশ বরেণ্য আলেম-ওলামারা ইজতেমায় নছিয়ত পেশ করবেন। ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য যাবতীয় প্রস্ততি সম্পন্ন করা হয়েছে।
ইজতেমার নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, ‘ইজতেমার নিরাপত্তায় গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। এছাড়া নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশও দায়িত্ব পালন করবে।’