পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫ টাকা

আমদানি অব্যাহত থাকলেও তিন দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫-১৬ টাকা। হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন পাইকারি ও খুচরা ক্রেতারা।

আমদানিকারকরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। দুর্গাপূজার ছুটি শেষে পুনরায় বন্দর দিয়ে আমদানি শুরু হলে দাম কমে আসবে।

হিলি বন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে এখনও পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে। তবে দাম বেড়ে গেছে। মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) বন্দর দিয়ে ইন্দোর ও সাউথ জাতের পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সর্বশেষ গত শনিবার প্রতি কেজি ইন্দোর পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৭৪-৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। রবিবার, সোমবার তা বেড়ে ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মঙ্গলবার একই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯২ টাকা। একইভাবে শনিবার ৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া সাউথ জাতের পেঁয়াজ মঙ্গলবার বিক্রি হচ্ছে ৯৩-৯৫ টাকা। হিসেবে তিন দিনের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ১৫-১৬ টাকা।

হিলি বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী আইয়ুব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শনিবার বন্দরে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ কিনেছিলাম ৭৪-৭৫ টাকায়। আজ কিনতে হয়েছে ৯০-৯২ টাকায়। একইভাবে সাউথ জাতের পেঁয়াজ কিনেছিলাম ৮০ টাকায়। আজ কিনেছি ৯৩-৯৫ টাকায়।’ 

তিনি বলেন, ‘দাম বেড়ে যাওয়ায় সমস্যার মধ্যে পড়েছি। কারণ চালান বেশি লাগছে। আবার বেশি দামে বিক্রি করতে হবে। যেহেতু বুধবার থেকে ছয় দিন আমদানি বন্ধ থাকবে সেহেতু বাধ্য হয়ে কিনতে হয়েছে। তবে আগের তুলনায় আমদানি কমেছে। এ সুযোগে দাম বাড়িয়ে ক্রেতাদের পকেট কাটছেন ব্যবসায়ীরা।’  

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ওপর থেকে শুল্ক কমিয়েছে। এ ছাড়া দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুল্ক কমিয়েছে বাংলাদেশ সরকারও। শুল্ক কমানোর ফলে আমদানি যেমন বেড়েছিল তেমনি দাম কমে এসেছিল। কিন্তু দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৯ অক্টোবর থেকে ছয় দিন রফতানি বন্ধ ঘোষণা করেছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। এখন আগের অর্ডারের পেঁয়াজ আসছে। তবে আমদানি কমেছে। এজন্য দাম বেড়েছে।’