কুড়িগ্রামে গত দুই দিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। এতে করে কয়েকদিন ধরে চলা ‘ঘণ্টায় ঘণ্টায়’ লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণা থেকে কিছুটা রেহাই পেয়েছেন গ্রাহকরা।
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, বুধবার (১২ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক হওয়ায় লোডশেডিং কমে গেছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সব রকম চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
জেলার নেসকো ও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুই দিন ধরে লোডশেডিং নেই বললেই চলে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দিনভর বিদ্যুৎসরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। তবে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কয়েক ঘণ্টার জন্য লোডশেডিং ছিল।
কুড়িগ্রাম শহরের ব্যবসায়ী সাকিব ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে টানা অসহনীয় লোডশেডিংয়ের পর হঠাৎ করে লোডশেডিং কমে গেছে, নেই বললেই চলে। রাতে একবার লোডশেডিং ছিল। তবে সেটা সহনীয় পর্যায়ে ছিল।’
নেসকো কুড়িগ্রামের দেওয়া তথ্য বলছে, জেলায় তাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩২ হাজার। তাদের বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ ১৩ মেগাওয়াট। অন্যদিকে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বলছে, কুড়িগ্রামে ৭ উপজেলায় (রৌমারী ও রাজিবপুর ছাড়া) তাদের মোট গ্রাহক প্রায় ৫ লাখ। তাদের বিদ্যুৎ চাহিদা সর্বোচ্চ ৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত। দুই দিন ধরে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়ায় তাদেরকে তেমন লোডশেডিং দিতে হচ্ছে না।
কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শামীম পারভেজ বলেন, ‘বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। বৃহস্পতিবার রাতে ১৩ থেকে ২৩ ভাগ লোডশেডিং ছিল। তবে শুক্রবার সকাল থেকে একবারও লোডশেডিং দিতে হয়নি। আশা করা যাচ্ছে যে পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকতে পারে।’