পুলিশ জানায়, জগন্নাথপুর পৌর এলাকার হবিবপুর গ্রামের আফজাল হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এই সুযোগে আফজাল মেয়েটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরে ওই দৃশ্য মোবাইলে রেকর্ড করে তার বন্ধু লেচু মিয়াকে দিয়ে মেয়ের মায়ের কাছে পাঠায়। পরে ভিডিওটি মোবাইলের মাধ্যমে এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। গত ০২ মে সকালে মাজপাড়া গ্রামের পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমাম আমিনুর রহমানের শয়ন কক্ষে থেকে ভিডিওটি ধারণ করা হয়।
ওই ছাত্রীর মা জানান, তার মেয়েকে আফজাল স্কুলে আসা যাওয়ার পথে উত্যক্ত করতো। তার মেয়েকে ইমামের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। তিনি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ছাত্রীর বাবা জানান, স্ত্রীর চাকুরির কারণে তারা উপজেলা সদরে বাস করলেও এখন গ্রামের বাড়িতে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
জগন্নাথপুর থানার ওসি তদন্ত মাইনুল জাকির জানান, এই ব্যাপারে সোমবার রাতে জগন্নাথপুর থানায় আফজাল, ঘটনায় সহায়তাকারী ইমাম আমিনুর রহমান ও ভিডিও প্রদর্শনকারী লেচু মিয়াকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় একটি মামলা করেছে ছাত্রীর বাবা। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ আব্দুল মনাফ স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
আরও পড়ুন: বান্দরবানে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কৃষককে হত্যা
/জেবি/টিএন/আপ-এআর/