মৌলভীবাজার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মাদ শাহীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধসহ বাড়িতেও এ ব্যাপারে দেখভাল করতে অভিভাবকদের নির্দেশনা দেওয়া হবে। মোবাইলের পাশাপাশি ফেসবুকেও আসক্তি বাড়ছে ছাত্র-ছাত্রীদের। এগুলো শিক্ষার ওপর বিরূপ ও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অভিভাবকরা মনে করছেন সন্তানকে মোবাইল দিয়ে কখন কোথায় আছে খোঁজ নেবেন। সে তাদের মুঠোবন্ধি হয়ে আছে। অভিভাবকরা ভুল মনে করছেন। বরং মোবাইল দিয়ে সন্তানকে তাদের কাছ থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছেন। তারা একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন তার সন্তান যখন মোবাইল ব্যবহার করে সে উদাসীন হয়ে যায়, সে কোথায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করছে পরিবারের কেউ ভাবতেও পারছেন না। হয়তো অভিভাবকরা মনে করছেন তাদের সন্তানরা মোবাইলে গেম খেলছে। তারা একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে সে কিসে ডুবে আছে। সে শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, ভাইবার, ইমো তে নেই, একটু খেয়াল করলেই দেখবেন সে ইউটিউব, গুগল ইত্যাদি মাধ্যমে প্রবেশ করে। এতে পরিবারের সন্তানরা নিজেদের অজান্তে ভুল পথে পা বাড়ায়, তখন সে পরিবারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মোবাইলের অপব্যবহারের কারণে ছাত্ররা ইভটিজিং, বখাটেপনাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। তাই সমাজের পরিবেশ শান্ত রাখতে ১৮ বছরের নিচে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যবহার থেকে দূরে রাখুন।
/এআর/
আপ: এইচকে
আরও পড়ুন: ইরাকে দালালের হাতে বন্দি দামুড়হুদার যুবক, মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ