এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. সাদিনা ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. জহির বিন আলমকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন শাহপরান হলের প্রভোস্ট শাহেদুল হোসেন, দ্বিতীয় ছাত্র হলে প্রভোস্ট এস এম হাসান জাকেরূল ইসলাম, সৈয়দ মুস্তোবা আলী হলের প্রভোস্ট শরদিন্দু ভট্টাচার্য, সহকারী প্রক্টর আলমগীর কবির।
তিনি আরও জানান, প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাশ-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে সিন্ডিকেটের সভায় আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। একইসঙ্গে ছাত্রদের হলও ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ছাত্রীদের হল খোলা থাকবে।
এদিকে, হল ছাড়ার নির্দেশের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সিলেট- সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ফাঁকা গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতরে ঘটনা না ঘটলেও ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন:
সংঘর্ষের জেরে শাবিপ্রবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
শাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগে উত্তেজনা: ধাওয়া, ককটেল ও গুলি বিস্ফোরণ
/বিটি/