সুরঞ্জিতকে শেষ বারের মতো দেখতে নতুন কোর্ট এলাকায় মানুষের ঢল নামে। শত শত সাধারণ মানুষ ফুলের তোড়া হাতে নিয়ে এসে সেনগুপ্তের কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জানায়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বক্তব্য রাখেন সুরঞ্জিতের ছেলে সৌমেন সেনগুপ্ত। এ সময় তিনি তার প্রয়াত বাবার পারলৌকিক শান্তির জন্য উপস্থিত সবার কাছে আর্শীবাদ প্রার্থনা করেন।
এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ভাটি বাংলার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতিতে তার অবদান অস্বীকার করা যাবে না। তিনি এদেশের গণমানুষের হৃদয়ে অবস্থান করছেন।’
সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হোসেন আহমদ বলেন, ‘সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বাংলাদেশের রাজনীতির এক কিংবদন্তী পুরুষ ছিলেন। অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির অন্যতম ধারক সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত তার কর্মের মধ্য দিয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।’
এ সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ মতিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আয়ূব বখত জগলুল, সুনামগঞ্জ চেম্বারের প্রেসিডেন্ট ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খায়রুল হুদা চপলসহ জেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তার মরদেহ শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় তার নির্বাচনি এলাকা শাল্লা উপজেলা সদরে। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পর তার মরদেহ দিরাইয়ের নিজ বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর চারটার দিকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
/এমডিপি/