এজন্য তারা মাল্টিপ্যারামিটার, পিএইচ,স্পেক্টোমিটার দিয়ে খরচার হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর মাটিয়ান হাওর,শনির হাওর,সাংহাইর হাওরসহ বেশ কয়েকটি হাওরের প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের পানি পরীক্ষা করবেন।
রবিবার (২৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টায় সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউজে এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী সারওয়ার ইমতিয়াজ হাশমী বলেন , ‘আমরা ধারণা করছি সুনামগঞ্জের হাওরে কীটনাশকের প্রভাবে মাছের মড়ক হয়েছে। কারণ কৃষকরা বৈজ্ঞানিক ভাবে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেন না। এছাড়া কাচা ধান গাছ পচে পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায়ও মাছ মারা যেতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তা নিশ্চিত করে বলা যাবে।’
প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রয়েছেন- পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক সহরাব আলী, উপ পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান আকন্দ, ঢাকা গবেষণাগারের সিনিয়র ক্যামিস্ট সৈয়দ আহমদ কবির, সিলেট পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক সালাহ উদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র কেমিস্ট সাইফুল ইসলাম, সহকারী বায়োকেমিস্ট মো. সানোয়ার হোসেন।
/এআর/