প্রিন্সিপাল বলেন, ‘ক্যাম্পাসজুড়ে সবসময় নিরাপত্তা জোরদার থাকে। এমনকি মূল ভবনের ভেতরে অভিভাবকসহ কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। ক্লাসে কোনও শিক্ষার্থী প্রবেশ করার সময় তাদেরকে চেকিং (পরীক্ষা) করে প্রবেশ করানো হয়। তাই এ ঘটনা বাইরের কারও ঘটনোর সুযোগ নেই।’
প্রিন্সিপাল আরও বলেন, ‘র্যাব সদস্যরা মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছেন এটা একটি শক্তিশালী বোমা। এর ভেতরে সার্কিট রয়েছে। এটা যদি বিস্ফোরিত হয় তাহলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, সেই আশঙ্কায় অভিভাবকদের পরামর্শ নিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে ক্যাম্পাসের বাইরে বের করা হয়েছে।’ এ ক্যাম্পাসে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ১৫শ শিক্ষার্থী রয়েছেন বলে জানান তিনি।
স্কলার্স হোম বন্ধ ঘোষণা করা হবে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
সিলেট মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশসহ র্যাবের সদস্যরা রয়েছেন। কে বা কারা বোমাটি রেখে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এমনকি ক্যামেরায়ও ধরা পড়েনি। বিষয়টি সন্দেহজনক।’
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালে সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকায় স্কলার্স হোম স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনের সিঁড়ির বাম পাশে বোমা সদৃশ একটি বস্তু দেখে র্যাবকে খবর দেন শিক্ষকরা। পরে বেলা ১১টার দিকে র্যাব ৯ -এর সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। এটি একটি শক্তিশালী বোম। এর মধ্যে সার্কিট পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন র্যাবের কর্মকর্তারা।
/এআর/ এপিএইচ/