দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সিলেট নগরের সুবিদবাজার লন্ডনি রোডের হাসান শাহরিয়ার রফি, উত্তর বাগবাড়ির সাফকাত হোসেন শুভ, শহরতলীর বাদাঘাট কাজিরগাঁও গ্রামের কাজি মাকসুদ আহমদ, বিমানবন্দর থানাধীন হাউজিং এস্টেট এলাকার ভানুলাল দাশ, একই এলাকার সাইদুল মিয়া ও হবিগঞ্জ সদরের বড় বাহুলা গ্রামের সামিরুল আলম চৌধুরী সৌরভ। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা থেকে জুয়েল ও পাভেল নামে দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মাহফুজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, চার জনকে চার বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং দ্রুত বিচার আইনের ৪(২) ধারায় বাদীকে ২০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় চার আসামি কাঠগড়ায় ছিলেন। এরপর তাদের জেলে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত বছরের ৬ এপ্রিল রাতে মেজর মোস্তফা আনোয়ারুল আজিজ স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার সময় সিলেট নগরের কেওয়াপাড়ার কাছে তার গাড়ি ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের কর্মীরা। একপর্যায়ে তারা মেজর মোস্তফাকে ছুরিকাঘাত করে। ছুরিটি তার কানের কাছে লেগে জখম হয়। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত করে ২৬ এপ্রিল ছয় ছাত্রলীগকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। দণ্ডিত চারজন সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী বলে সংগঠন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।