দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউপি চেয়ারম্যান রেজুয়ান হোসেন খান জানান, বাংলাবাজারের ১০-১২টি দোকান ঘরসহ কয়েকটি গ্রামে অন্তত অর্ধশত ঘরবাড়ি ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া ভাটিপাড়া ইউনিয়নের ৩০-৩৫ টি ঘর বাড়ি ক্ষতির কবলে পড়ে। কালবৈশাখী ঝড়ে বিভিন্ন উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগরে ঝড়ের তাণ্ডবে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মধ্যনগর থানার বংশীকুন্ডা উত্তর, বংশীকুন্ডা দক্ষিণ, চামরদানী ও মধ্যনগরসহ চারটি ইউনিয়নের অনেক গ্রামের মানুষের ঘররবাড়ি ভেঙ গেছে। বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে ১০-১৫টি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, ঝড়ে তাদের গ্রামে ১০-১৫টি পরিবার গৃহহীন। ঝড়ের কারণে জেলা সদরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় বিকাল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাছুম বিল্লাহ বলেন, ‘কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাইনি।
দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনুদ্দিন ইকবাল বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার জন্য বলা হয়েছে। তালিকার পর তাদের সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।’