সংঘর্ষে টেটাবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় টেটাবিদ্ধ আল আমিন (২০), মো. আদম আলী (৭০), আলদো (৪০), রমচান বিবি (৫০), আব্দুল মোতালিব (৫০), শেখ শামছুল হক (৭০), কাজল মিয়া (৭০), বাবুল মিয়া (৩২), আব্দুর রব (৩৫), সাইদুর (২০), আদাস আলী (৭০), সালাম (৬০), মারফুজ (৩০) ও জজ মিয়াকা (৫০) ঢাকা ও সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য ৩০ জনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার বানিয়াচং উপজেলার সাঙ্গর গ্রামের আব্দুল হাকিম ফুল মিয়া ও একই গ্রামের আব্দাল রাজার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বেসিক মাল্টিপারপাস সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনও সুরাহা হয়নি। এর জেল ধরে বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় বাড়িঘরে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। খবর পেয়ে বানিয়াচঙ থানা ও সুজাতপুর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করার সময় রাত ১০টার দিকে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে আবারও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষ এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সুজাতপুর ফাড়ির ইনচার্জ আল আমিন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্তলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২২ জনকে আটক করা হয়েছে।