সিটি ব্যাংক থেকে ঋণ খেলাপীর কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এদিকে ব্যক্তিগত তথ্য গোপন ও হলফনামায় সাক্ষর না থাকার কারণে একই আসনের মহিলা এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবিরয়া। এরপর ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে গ্রেনেড হামলায় তিনিসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনার পর এ বছর তার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া ড. কামাল হোসেনের দল ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচন করার জন্য হবিগঞ্জ-১ আসনের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে তিনি সরকারি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেন। আজ যাচাই-বাছাইকালে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।