তারা জানান, হবিগঞ্জের চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাইরেও এই মুড়ি সরবরাহ করা হয়।
একই ফ্যাক্টরির নারী শ্রমিক জাহানারা খাতুন জানান, রমজান মাসে দিনেরাতে কাজ করে মুড়ি উৎপাদন করতে হচ্ছে। ইফতারিতে মুড়ির চাহিদা থাকার কারণে আমাদের দ্বিগুন কাজ করতে হয়।
আল আমিন মুড়ি ফ্যাক্টরির ম্যানেজার দীপক দাশ জানান, আমাদের ফ্যাক্টরির মুড়ি ভেজাল ও কেমিক্যালমুক্ত হওয়ার কারণে চাহিদা বেশি থাকে। তিনি বলেন, ‘এখানকার মুড়ি হবিগঞ্জের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।’
আল মদিনা মুড়ি ফ্যাক্টরির শ্রমিক কাজল দাশ বলেন, ‘আমরা চাহিদা মেটাতে পারছি না। তৈরির সঙ্গে সঙ্গেই ক্রেতারা গাড়ি নিয়ে এসে হাজির হন। তবুও দিনরাত পরিশ্রম করে আমরা কাস্টমারদের চাহিদা মিটিয়ে আসছি।’
একই ফ্যাক্টরির ম্যানেজার পিতাম্বর দাশ জানান, এখানকার মুড়ি ভেজালমুক্ত।এ কারণে চাহিদা বেশি থাকে। তিনি বলেন,‘অনেক দূর থেকেও লোকজন এসে এখান থেকে মুড়ি সংগ্রহ করে নিয়ে যান।’
হবিগঞ্জ শহরের ব্যবসায়ী আব্দুল মন্নাফ জানান, বিসিক শিল্পনগরীর মুড়ি ভেজালমুক্ত থাকার কারণে আমরা এখান থেকে মুড়ি সংগ্রহ করে খুচরায় বিক্রি করে থাকি। তিনি বলেন, ‘এখানকার মুড়ি অত্যন্ত সুস্বাদু তাই এর চাহিদা বেশি থাকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মুড়িতে যাতে করে কোনও ধরনের কেমিক্যাল না মেশাতে পারে, সেজন্য ভোক্তা অধিকার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহযোগিতা নেওয়া হয়ে থাকে।’