মারধরের শিকার মিলনের দাবি, আমার ওপর শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের কয়েকজন অনুসারী এ হামলা চালিয়েছেন। তারা এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে আমাকে আহত করে।
আহত মিলন অভিযোগ করেন, ‘আমি ক্লাস থেকে বের হয়ে অর্জুনতলার দিকে যখন আসি তখন ইমরান খানের অনুসারী সাদ্দাম হোসেন লিখন, রোহিতুজ্জামান নাজমুল, মনোয়ার হোসেন, সাজ্জাদ, মাসুদ, মুন, তন্ময়, অমিতসহ কয়েকজন জুনিয়র কর্মী যৌথভাবে আমার ওপর হামলা চালায়।’
সম্প্রতি আবু সাঈদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পাওয়ার পর ক্যাম্পাসে তার অনুসারীরা তৎপর হয়ে উঠেছে। এতে ছাত্রলীগের অন্য গ্রুপগুলোর মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আবু সাঈদকে ছাত্রলীগের সাবেক জাকির-সোহাগ কমিটি আজীবন বহিষ্কার করেছিল, সে সময় ক্যাম্পাস থেকে তিনি বিতাড়িত হন। এখন আবার সাঈদের অনুসারীরা ক্যাম্পাসে সংগঠিত হতে চাইছে।
এ বিষয়ে শাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। বিষয়টি আমরা দেখছি।’
প্রক্টর অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমি মারধরের ঘটনাটি অবগত হয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’