মৌলভীবাজারে তীব্র শীতে বেড়েছে ভোগান্তি

টানা কয়েক দিন ধরে শীত ও হিমেল হাওয়ায় মৌলভীবাজারে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। ভোর থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকে পুরো জেলা। কুয়াশায় দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করে বিভিন্ন যানবাহন। সন্ধ্যার দিকে বাড়ে শীতের তীব্রতা। যা পরদিন সকাল পর্যন্ত অনুভূত হয়। শীত ও কনকনে হিমেল হাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী মানুষ। অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

এদিকে জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আনিছুর রহমান জানান, মৌলভীবাজার জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বইছে। তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে সোমবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে। এর আগেরদিন রবিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অন্যদিকে শীতজনিত রোগে প্রতিদিন মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে শিশু ও বয়স্ক রোগীর চাপ বাড়ছে। গরম কাপড়ের দোকানে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের ভিড় বাড়ছে প্রতিদিন।

সিভিল সার্জন ডা. জালাল উদ্দিন চৌধুরী মোর্শেদ বলেন, ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়লেও হাসপাতালের কর্মীরা চাপ সামলে নিচ্ছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুই থেকে তিন দিন চিকিৎসা নিয়েই অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। 

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ৩৪ হাজার কম্বল ও নগদ তিন লাখ টাকা শীতার্ত মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। আরও কম্বল ও নগদ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।