‘দক্ষতার অভাবে মালয়েশিয়া, জাপান ও কোরিয়ায় জনশক্তি পাঠানো যাচ্ছে না’

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কেবল দক্ষতার অভাবে মালয়েশিয়া, জাপান ও কোরিয়া পর্যাপ্ত জনশক্তি পাঠানো যাচ্ছে না। অথচ এসব দেশে দক্ষ জনবলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ চাহিদা মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। এরই মধ্যে ৪০ জন জাপানি ল্যাঙ্গুয়েজ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ভাষা শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশ ও বিদেশে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষার প্রতি বেশি জোর দিচ্ছে।’

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সিলেটে আঞ্চলিক স্কিলড অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের অ্যাসেট প্রকল্পের উদ্যোগে সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান রেজাউন নবীর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন- কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব দাউদ মিয়া, অ্যাসেট প্রকল্পের পরিচালক সরকারের অতিরিক্ত সচিব শামসুর রহমান। অ্যাসেট প্রকল্পের কমিউনিকেশন্স কনসালটেন্ট জিল্লুর রহমান অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রম বাজার বন্ধ রয়েছে। এ জন্য নতুন শ্রমবাজারের সন্ধানে রয়েছে সরকার। এরই মধ্যে মালয়েশিয়ায় শ্রম বাজার খোলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জাপান ও কোরিয়ায় দক্ষ জনশক্তির বিপুল চাহিদা রয়েছে। এ জন্য জাপানিসহ অন্য ভাষা শিক্ষার প্রতি আমরা সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের হাইটেক পার্ককে কীভাবে কাজে লাগানো যায়- সে বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে সরকার সব পদক্ষেপ নেবে।’

শ্রমমন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টায় গত ঈদের আগেই শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হয়েছে। বন্ধ কল-কারখানা খোলারও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

জেলা পরিষদের অনুদান বিতরণীতে যোগদান মন্ত্রী একইদিন বিকালে সিলেট জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে আর্থিক অনুদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।