সিলেটের মেয়র আরিফ ফের কারাগারে

সিলেট সিটি করপোরেশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর হয়েছে। ১৫ দিনের জামিনে থাকা আরিফুল হক সোমবার দুপুরে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসানের আদালতে হাজির হয়ে ফের জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

সিলেটে সাময়িক বরখাস্ত মেয়র আরিফকে ফের কারাগারে নেওয়া হচ্ছে

মায়ের ও নিজের অসুস্থতা বিবেচনায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় আদালত থেকে জামিন পান আরিফুল হক। ২২ মার্চ কিবরিয়া হত্যা মামলায় আরিফুল হকের ১৫ দিনের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মোহম্মদ ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ। এছাড়া, গত ২৭ মার্চ বিস্ফোরক মামলায় হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে তাকে একই মেয়াদের জামিন দেওয়া হয়। জামিন আদেশ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছানোর পর ২৮ মার্চ তাকে কারা কর্তৃপক্ষ মুক্তি দেয়।

আরও পড়তে পারেন:

১০০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো বেড়েছে গণনাকৃত বাঘের সংখ্যা

আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ লালা জানান, মঙ্গলবার আরিফুল হকের ১৫ দিনের জামিনের মেয়াদ হবে। এর একদিন আগে আদালতে আরিফুল হক চৌধুরী জামিন প্রার্থনা করেন। তবে সেটি নামঞ্জুর হয়।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যের বাজারে এক জনসভায় গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। হামলায় নিহত হন কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী। এ ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন। এ মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আরিফুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়তে পারেন:

চাকরি করার ‘অপরাধেই’ স্ত্রীর মুখে এসিড নিক্ষেপ

২০১৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ৩২ আসামির বিরুদ্ধে কিবরিয়া হত্যা মামলার চার্জ গঠন করা হয়। এর আগে ১১ জুন হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল্লাহ আলোচিত এই মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। আর বিস্ফোরক মামলাটি হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন।

/বিটি/এফএস/টিএন/