মামলা ছাড়াই ১৪ ঘণ্টা ধরে থানায় বৈষম্যবিরোধীর নেতা মাহদী

বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে আটক হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিন জনকে প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে থানায় রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা থাকলেও সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত পুলিশ কোনও কিছুই জানায়নি।

গতকাল সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গণে লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট নিরসন ও দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিতে জড়ো হলে মাহদী হাসানসহ তিন জনকে আটক করে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।

আটক অন্য দুই জন হলেন— নুর হোসেনের ছেলে রাকিব আহমেদ রাজু ও দক্ষিণ শ্যামলী এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে মির্জা সুমন।

আটকের পর পুলিশ জানায়, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়ানো এবং সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের আটক করা হয়েছে।

এদিকে রাত ৮টার দিকে মাহদী হাসানের বাবা আবু তৈয়বসহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ হবিগঞ্জ সদর থানায় যান। দীর্ঘ সময় থানায় অবস্থানের পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা বেরিয়ে যান। 

হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি জাহিদুল হক সোমবার মধ্যরাতে জানান, মাহদী হাসানসহ তিন জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

কিন্তু মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তাদের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

এদিকে প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে থানায় আটক থাকায় মাহদী হাসানসহ তিন জনের মুক্তি কিংবা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অপেক্ষায় রয়েছেন তাদের স্বজন ও সহকর্মীরা। আটক তিন জনের বিষয়ে পুলিশের পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।