ঢাকা লিট ফেস্টের প্রিয় মুখ

এক নজরে টিল্ডা সুইনটন

অস্কারজয়ী ব্রিটিশ অভিনয়শিল্পী টিল্ডা সুইনটন চলচ্চিত্রে নানান রঙের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। অস্কারজয়ী এই শিল্পী আসছেন ঢাকা লিট ফেস্টের দশম আসরে। ৬ জানুয়ারি (সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে) আ স্যালুট টু ফেলোশিপ এবং ৭ জানুয়ারি দ্য রিডার ইন রেসিডেন্স ( দুপুর ১.৪৫ মিনিটে) শীর্ষক দুটি সেশনে বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন টিল্ডা সুইনটন।

মঞ্চের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু হয় টিল্ডার। লন্ডনে রয়্যাল শেক্সপিয়ার কোম্পানির হয়ে তিনি অভিনয় করেছেন। চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরুর আগ পর্যন্ত মূলধারায় তাকে খুব একটা দেখা যায়নি। বড় পর্দায় যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৬ সালে। ওই সময় তিনি ডেরেক জারম্যান-এর কারাভাজ্জিও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এই পরিচালকের আরও দুটি চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। ১৯৮৮ সালে দ্য লাস্ট অব ইংল্যান্ড এবং ১৯৯০ সালে দ্য গার্ডেন

১৯৯১ সালে এডওয়ার্ড দ্বিতীয় চলচ্চিত্রে রানি ইসাবেলা চলচ্চিত্রে পর্দায় ফুটিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন।

সুইনটন পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্রে অভিনয় চালিয়ে গেছেন ক্যারিয়ারজুড়েই। এসব চলচ্চিত্রে তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১৯৯২ সালের ওরলান্ডো, ১৯৯৬ সালের ফিম্যাল পারভারসন্স, ২০০১ সালে দ্য ডিপ এন্ড এবং ২০০৪ সালের থাম্বসাকার

স্বাধীনত আর্ট ফিল্মে কাজের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, দ্য ক্রোনিকেল অব নার্নিয়া: দ্য লায়ন দা উইচ অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ডরোব (২০০৫) এবং ২০০৭ সালে বহুল প্রশংসিত থ্রিলার মাইকেল ক্লেটন। এই চলচ্চিত্রে একজন সিইও-এর ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার পুরস্কার জিতে নেন।

টিল্ডা সুইনটনের জন্ম ইংল্যান্ডের লন্ডনে ১৯৬০ সালের ৫ নভেম্বর। ১৯৮৩ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। সমাজ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করলেও তার আগ্রহ ছিল অভিনয়ে।