বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আওতাধীন ‘হাইয়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (হেকেপ)’-এর উদ্যোগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘উন্মুক্ত ও সূদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এতে থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমানের তথ্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতের জন্য করণীয় নির্ধারণ করে সবার পরামর্শগুলো এতে যোগ করা হবে।’ দ্রুত লক্ষ্য-নির্ভর একটি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান তিনি।
উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নে অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল আইন পাস হয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘উচ্চ শিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা প্রথাগত ধারণার পরিবর্তন চাই। শিক্ষা হবে দক্ষতা-নির্ভর, যেন একজন শিক্ষার্থী প্রকৃত অর্থে মানবসম্পদে পরিণত হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হবে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির জন্য চরম উৎকর্ষ অর্জনের স্থান। জ্ঞান-প্রযুক্তি শুধু আমদানি নয়, রপ্তানি করার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।’ এ লক্ষ্যে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।