সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কিংবা প্রশ্নফাঁসের খবর পাওয়া যায়নি।’
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে আরও গিয়েছিলেন অতিরিক্ত সচিব অরুণা বিশ্বাস ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
সারাদেশের মোট ২ হাজার ৮৩৪টি কেন্দ্রে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু হয় বুধবার সকাল ১০টা থেকে। নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বহু নির্বাচনি (এমসিকিউ) অংশে ৩০ নম্বর ও সৃজনশীল অংশে ৭০ নম্বরের পরীক্ষা হচ্ছে। তবে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) অংশে ৪০ নম্বর ও সৃজনশীল অংশে পরীক্ষা হচ্ছে ৬০ নম্বরের। এর মধ্যে বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া অন্য বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে সৃজনশীল প্রশ্নে। পরীক্ষা চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।
অন্যদিকে জেডিসিতে মোট পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৫৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪২২ জন ও ছাত্রী ২ লাখ ৫ হাজার ১০১ জন। প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা এবারও অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাচ্ছে। এছাড়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসজনিত প্রতিবন্ধী ও যাদের হাত নেই, তারা শ্রুতিলেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারছে।