কোচিং বাণিজ্যে ৯৭ শিক্ষক: দুদকের চিঠি হাতে পেলে ব্যবস্থা

 

কোচিং বাণিজ্যকোচিংয়ের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা দুদকের চিঠি এখনও হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন ঢাকার এমপিওভুক্ত চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা। তারা বলেন,  চিঠি হাতে পেলেই সুপারিশ অনুযায়ী কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। 

জানতে চাইলে দুদকের পাঠানো চিটি হাতে পাননি বলে জানান আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শাহান আরা বেগম। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে দুদক কয়েকমাস আগে কিছু তথ্য চেয়েছিল। আমরা দিয়েছি। পরে আর কোনও চিঠি আসেনি। শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশের চিঠি হাতে পেলেই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো।’

এদিকে রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শওকত আলমও এ বিষয়ে কোনও চিঠি পাননি বলে জানিয়েছেন। চিঠি হাতে পাওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না বলে তিনি জানান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসেনের কাছে এই বিষয়ে জানার জন্য ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল সেলিনা শামছি বলেন, ‘তিনি কোনও চিঠি পাইনি। চিঠি পেলেই সুপারিশ অনুযায়ী কাজ করবো।’

তবে ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন প্রিন্সিপালকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, কোচিং বাণিজ্যে যুক্ত থাকায় মোট আটটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৯৭ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেসরকারি চারটি ও সরকারি চারটি।

যাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে দুদক চিঠি পাঠিয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন  আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৭২ জন শিক্ষক এবং মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, খিলগাঁও, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের মোট ২৫ জন।

আরও পড়ুন: কোচিং বাণিজ্যে ৯৭ শিক্ষক, শীর্ষে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ