প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ নেই আজও

সোমবার সারাদেশে শুরু হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা, প্রথম দিনে তোলা ছবিউচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আজ মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে এই পরীক্ষা। এদিন বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এইচএসসি ও সমমানের দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষাকে ঘিরে গতকাল সোমবার (২ এপ্রিল) থেকেই ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে নজর রাখা হয়। দেখা যায়, আগের পরীক্ষাগুলোর মতোই একটি অসাধু চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন দেওয়ার বিজ্ঞাপন দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রশ্নপত্র লেনদেনের জন্য ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে খোলা হয়েছে ক্লোজ চ্যাট গ্রুপ। তবে এসব গ্রুপে পাওয়া প্রশ্নের সঙ্গে মূল প্রশ্নপত্রের কোনও মিল পাওয়া যায়নি।
শিক্ষা বোর্ডের কাছেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনও অভিযোগ করা হয়নি। জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনও অভিযোগ পাইনি।’
উল্লেখ্য, সোমবার (২ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এ বছর এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। আর ১৪ থেকে ২৩ মে’র মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।
এর আগে, এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ব্যাপক হারে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগ পাওয়ায় আশঙ্কা ছিল, এইচএসসি পরীক্ষাতেও প্রশ্নপত্র ফাঁস হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে বেশ কয়েকটি চক্র সক্রিয়ও হয়। তবে পরীক্ষার আগেই নড়েচড়ে বসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা শুরুর প্রথম দুই দিনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনও অভিযোগও পাওয়া যায়নি। মন্ত্রণালয় মনে করছে, তাদের গৃহীত তিনটি কৌশলের কারণেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা আটকানো গিয়েছে। কৌশল তিনটি হলো— প্রশ্নপত্রের প্যাকেট সিকিউরিটি টেপ দিয়ে আটকানো, পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকিয়ে আসনে বসানো এবং প্রশ্নপত্রের সব সেট কেন্দ্রে নেওয়ার পর পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নপত্রের সেট নির্ধারণ।
আরও পড়ুন-
প্রাথমিকে বৃত্তি পেল ৮২৪৭৩ জন
‘এ বছর থেকেই প্রাথমিক সমাপনীতে এমসিকিউ থাকছে না’