ঢাবির সিন্ডিকেট নির্বাচনে নীল দলের বড় জয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, একাডেমিক পরিষদ ও ফাইন্যান্স কমিটির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিএনপিপন্থী সাদা দলের বিপরীতে আওয়ামীপন্থী নীল দল বড় জয় পেয়েছে।

উপাচার্যের সঙ্গে বিজয়ী শিক্ষকরাবৃহস্পতিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোট শেষ হয় দুপুর ১টায়। পরে বিকালে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন।

নীল দল থেকে সিন্ডিকেটে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন- সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মাকসুদ কামাল, আইন অনুষদের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক রহমত উল্লাহ, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের প্রভাষক জান্নাতুল নাঈমা।

অন্যদিকে, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমকে পরাজিত করে বিএনপিপন্থী সাদা দল থেকেও একজন সিন্ডিকেট প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তিনি হলেন- ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ড. হাসানুজ্জামান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এর অন্তর্ভুক্ত আর্টিক্যাল ২৩(১)(ডি) ও (২) এবং প্রথম সংবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী সিন্ডিকেটে নির্বাচিত ৬ জন শিক্ষক প্রতিনিধি থাকবেন।

একাডমিক পরিষদ নির্বাচিত ছয় জন শিক্ষক প্রতিনিধি হলেন- ‘ক’ গ্রুপে (সহযাগী অধ্যাপক ক্যাটাগরি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযাগী অধ্যাপক ড. আলমগীর কবির, গণিত বিভাগের সহযাগী অধ্যাপক ড. নেপাল চদ্র রায়, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটর সহযাগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আশরাফ সাদেক।

‘খ’ গ্রুপে (সহকারী অধ্যাপক/প্রভাষক ক্যাটাগরি) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন- গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা আহমদ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল আলম চোধুরী এবং সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সঞ্চিতা গুহ।

ফাইন্যান্স কমিটিতে নির্বাচিত একজন শিক্ষক প্রতিনিধি হলেন- অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই জয়লাভের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির প্রতি মেধাবী শিক্ষকদের অবস্থান প্রমাণিত হয়েছে। আমি মনে করি আগামীতেও এ অবস্থান আস্থার সঙ্গে প্রমাণ করবেন শিক্ষকরা।’