স্বাধীনতা দিবসে শুদ্ধ সুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের নির্দেশ

মহান স্বাধীনতা বিদসে (২৬ মার্চ) সারাদেশে ও বিদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন সুরে বা বিকৃত সুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের প্রবণতা ঠেকাতে এবং শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত চর্চায় অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তবে, মহান স্বাধীনতা দিবসের কখন একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হবে, তা নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়নি। মাউশির সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন শাখা) মুহাম্মদ জাকির হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে যেভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেভাবেই পত্র জারি করা হয়েছে। মহান স্বাধীনতা দিবস আসতে এখনও দেরি আছে। পরে সময় নির্ধারণ করা হলে সেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

মাউশির সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন শাখা) মুহাম্মদ জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত নির্দশনা বলা হয়, শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত চর্চাকে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী সব শিক্ষার্থীর অংশ গ্রহণে ‘দলগত জাতীয় সংগীত পরিবেশ প্রতিযোগিতা, ২০১৯’ এবং ২৬ মার্চ সারাদেশে ও বিদেশে একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন কর্মসূচি আয়োজন করতে মন্ত্রিপরিষদ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে পত্র জারি করা হয়েছে। পত্র মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

এরআগে মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৩ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ পত্র জারি করে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ১৯ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আদেশ জারি করে।