কারোনার কারণে পুনর্বিন্যাস করা জাতীয় কর্মসূচির আওতায় আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুচকাওয়াজ ও সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সস্টিটিউট মিলনায়তনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) উদ্দেশে এই নির্দেশ দেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠপ্রশাসন অনুবিভাগ) আ. গাফ্ফার খান।
বিকালে মুজিবর্ষের পুনর্বিন্যাস করা অনুষ্ঠানসূচি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিমশনারদের আগামী ১৭ মার্চ এবং বছরব্যাপী মাঠ প্রশাসনের করণীয় নিয়ে ভিডিও কনফারেন্স করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।
ওই ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠপ্রশাসন অনুবিভাগ) আ. গাফ্ফার খান জেলা প্রশাসকদের বলেন, ‘জেলা প্রশাসন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুচকাওয়াজ এবং সমাবেশ স্থগিত রাখতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ স্থগিত করে তাদের একটি ফুল ও উপহার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশ অনুযায়ী আগামী ২৫ মার্চ ও মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান সীমিত আকারে পালন করতে হবে।’
প্রসঙ্গত, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় ১১ মার্চ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুচকাওয়াজ স্থগিতসহ জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানসূচি প্রকাশ করে আদেশ জারি করে। এই আদেশের পর বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আগামী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সংশোধিত কর্মসূচি সংক্রান্ত আদেশ জারি করে। জাতীয় পর্যায়ে সংশোধিত কর্মসূচির আদেশে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের আদেশ তুলে দেওয়া হয়।
আদেশে বলা হয়, ১৭ মার্চ সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ২৬ মার্চ সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সীমিত উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে। তবে কুচকাওয়াজ ও সমাবেশ স্থগিত থাকবে।