শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল। সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনগুলোর শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল অন্যান্য দিনের তুলনায় কম।
তবে প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম ও শিক্ষক সমিতির নির্বাচনি কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।
এর আগে গতকাল দুপুরে জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মবিরতির ঘোষণা দেয় শিক্ষক সমিতি। রবিবার শিক্ষক সমিতির জরুরি সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আগামী ২ জানুয়ারি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া পূরণ না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া আগামী ৩ জানুয়ারি জাবি শিক্ষক সমিতির জরুরি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দাবি পূরণ না হলে জাবি শিক্ষক সমিতি পৃথকভাবে আন্দোলনের ঘোষণা দিবে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাফরুহী সাত্তার।
/এসএম/এফএ/