ইউল্যাবে জাতীয় শোক দিবস পালিত

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আয়োজন করেছে। 

শনিবার (১৪ আগস্ট) বিকালে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজনের মধ্যে দিয়ে দিবসটি পালন করে ইউল্যাব। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টের সকল শহীদদের স্মরণ ও তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ টেলিভিশন নির্মিত ‘বঙ্গবন্ধু, বজ্রে তোমার বাজে বাঁশি’ তথ্যচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানের মূল বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউল্যাবের ব্যবসা অনুষদের অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা সন্ত্রাসের মাধ্যমে সরকার উৎখাত নতুন কোন বিষয় নয়। কিন্তু একটি দেশের জন্মদাতা, যিনি জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃত; তারই বিশ্বস্ত কিছু মানুষ গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সপরিবারে তাঁকে হত্যা করবে এমনটা কখনও হয়নি। স্বাধীন দেশের জন্মদাতাকে হত্যা করা মানে সে দেশটিকে হত্যা করা, সে দেশের ইতিহাসকে হত্যা করা; যা ৭৫ এর ঘাতকরা চেষ্টা করেছিল।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু যেহেতু একটি আদর্শ অনুভূতির নাম। তাই ঘাতকরা তাদের সে লক্ষ পূরণ করতে সফল হয়নি। কেননা আদর্শকে কখনও হত্যা করা যায় না।

ইউল্যাব বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্য এবং জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের ঘটনা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, যে বঙ্গবন্ধু সারাজীবন দেশের জন্য দিয়ে গেলেন, সেই বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে জীবন দিতে হলো। এরচেয়ে কলঙ্কময় অধ্যায় আর কিছু নেই।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন ইউল্যাবের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা। তিনি অতিথিবৃন্দকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর বড় দুর্বলতা ছিল, তিনি সবাইকে বিশ্বাস করেছেন। তার আস্থা ছিল, এই লোকগুলো কখনও তার কোন ক্ষতি করবে না। অথচ এই আস্থার মূল্য তাঁকে জীবন দিয়ে দিতে হলো।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি আরও যুক্ত ছিলেন ইউল্যাবের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা অধ্যাপক ইমরান রহমান, ট্রেজারার অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য, রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল (অব.) মো. ফয়জুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষক মণ্ডলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা।