শিক্ষার্থীদের পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো, শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাক্রমের সমন্বয় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালেকা পারভীন মোলি সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
এ সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক দফতরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা দফতরের পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম, যোগাযোগবিষয়ক বিশেষজ্ঞ গৌতম বড়ুয়া, মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক তামান্না রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে উপাচার্য এ. এস. এম. আমানুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা গেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এ ধরনের শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংযোগ আরও জোরদার করা হবে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে আধুনিক ও বাজারমুখী দক্ষতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রবেশের সক্ষমতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সমঝোতার আওতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাজারের চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন পেশাগত ও কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা হবে। একইসঙ্গে শিল্পখাতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একাডেমিক শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও হালনাগাদে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।
এই সহযোগিতার আওতায় জাপানি ভাষা, সেবাযত্ন, তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল বিপণন, সৌন্দর্যচর্চা ও আতিথেয়তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা হবে। প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের সনদের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।