বিপত্তি কিন্তু কম হচ্ছে না। হঠাৎ বৃষ্টি আবার কিছুক্ষণ পরই প্রচণ্ড গরম। তবে এতে শাপে বরই হয়েছে বলা যায়। কারণ বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর যখন ক্যামেরা চালু হলো, পেছনের আকাশে হঠাৎ দেখা মিলল রংধনুর।
ফারিয়া বললেন, ‘বান্দরবান একে তো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি, তার ওপর আসার পর থেকেই চলছে রোদ-বৃষ্টির খেলা। সঙ্গে সুন্দর রংধনুও পেয়ে গেলাম। পরিচালক থেকে শুরু করে আমরা সবাই তো বেজায় খুশি।’
আরও পড়ুন: পূর্ণদৈর্ঘ্য শেষে ‘স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি’
এদিকে শুভ বলেন ‘শুটিং বিষয়টা আমি সব সময়ই উপভোগ করি। আর গরম কোনও বিষয় না। কাজটা উপভোগ্য হলে সব কিছু পাশে রেখেই করা যায়। মাঝে মাঝে বৃষ্টি আসাতে বেশ ভালো লাগছে। আমাদের আড্ডাও জমে তখন।’
১ জুন থেকে টানা ২০ দিন শুটিং করার কথা রয়েছে বান্দরবানে। এরপর আবার মাসের শেষ সপ্তাহে কলকাতা হয়ে দার্জিলিংয়ে উড়ে যাবেন শুভ-ফারিয়া। উদ্দেশ্য গানের শুটিং।
/এম/এমএম/