এ শিল্পীর জন্মদিনে অর্থাৎ ২৮ জুলাই ‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক’ তুলে দেওয়া হয় আরেক বরেণ্য গায়িকা সাবিনা ইয়াসামিনের হাতে।
আর পদক পাওয়ার পর সাবিনার বক্তব্য যেন সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত হয়ে গেল।
গুণীকে সম্মান জানিয়েই এ শিল্পী বললেন, ‘ফিরোজা বেগমের মতো গুণী মানুষের জন্মতিথিতে এমন একটি বড় সম্মান পেলাম, আমার জীবন সার্থক। ফিরোজা বেগম আমার কাছে কোনো শিল্পী নন, তিনি আমার কাছে ছিলেন গানের ঈশ্বর। অনেক ভারতীয় পণ্ডিতরা যেমন তাকে ঈর্ষা করেছেন আবার সম্মানও জানাতে দ্বিধা করেননি।’
বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) বিকালে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে সাবিনা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের প্রতিমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। সাবিনাকে স্বর্ণপদক এবং এক লাখ টাকার সম্মানী এবং পার্থ প্রতিম মিত্রকে স্বর্ণপদক ও অর্থ সম্মানী দেওয়া হয়।
সাবিনা আরও বলেন, ‘আজকে আমার জীবনের অত্যন্ত আনন্দের একটি দিন। কারণ প্রথমবারের মতো ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক আমি পেয়েছি। তার মতো শিল্পী আমাদের দেশে আর হবে কি না- সেটা জানি না। আমাকে পদক দিয়ে সম্মানিত করার জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।’
অনুষ্ঠানে কথা বলেন বরীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাও। তার ভাষ্য, ‘ফিরোজা বেগমের সময় মুসলিম মেয়েদের সংগীতচর্চা করা খুব কঠিন ছিল। তিনি সত্যিই অতুলনীয় ও অবিস্মরণীয়।’
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম আকতার কামাল, বিজনেস অনুষদের ডিন শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, সংগীত বিভাগের চেয়ারপারসন ড. লীনা তাপসী খান, নৃত্যকলা বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা এবং নজরুলসংগীতশিল্পী সুস্মিতা আনিসসহ ফিরোজা বেগমের পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন সংগীতশিল্পী কোনাল।
/এমআই/এম/