এবার সুইজারল্যান্ডের জুরিখ চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রিত হয়েছে কামার আহমাদ সাইমনের ‘অন্যদিন…’। উৎসবের গোল্ডেন আই পুরস্কারের জন্য প্রতিযোগিতা করবে ১৪টি চলচ্চিত্র, যার অন্যতম বাংলাদেশের এই ছবি।
এ উৎসবে উপস্থিত থাকতে ছবিটির নির্মাতা ও প্রযোজককে আমন্ত্রণ জানিয়েছে জুরিখ কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি বিশ্বের নামজাদা আরও দুটি উৎসবে (উত্তর আমেরিকার চলচ্চিত্র উৎসব ক্যামডেন ও ভ্যানকুভার) আমন্ত্রিত হয়েছে ছবিটি। ক্যামডেনের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পূর্বে একই মাসে পরপর তিনটি উৎসবে আমন্ত্রণ কামারকে ফেলেছে এক মধুর জটিলতায়। ভ্যানকুভার ও জুরিখ উৎসবের তারিখ কাছাকাছি হওয়ায় ভ্যানকুভারের খুব কাছে গিয়েও উৎসব কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে সাড়া দিতে পারছেন না তিনি। তবে ক্যামডেন ও জুরিখে হাজির থাকবেন লাল-সবুজের এই প্রতিনিধি।
‘অন্যদিন…’ সম্পর্কে কামার বলেন, ‘হাইব্রিড ফিকশন ব্লেন্ডেড উইথ রিয়েলিটি’ বা ‘সত্য গল্প’।
গত নভেম্বরে ওয়ার্ল্ড টপ-টেন ফেস্টিভাল ইডফার মূল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় আমন্ত্রণ পেয়েছিলো কামার আহমাদ সাইমনের নতুন ছবি ‘অন্যদিন...’। বিশ্ব-অভিষেক হয়েছিলো দুনিয়ার সুন্দরতম থিয়েটার আমস্টারডামের পাথে তুসান্সকিতে। ইডফা’র ওয়েবসাইটে ‘অন্যদিন...’কে লেখা হয়েছিলো ‘ক্যালাইডোস্কোপিক ও ফিলসফিক্যাল’। এর আগে মার্চে নিউ ইয়র্কের মিউজিয়াম অব মুভিং ইমেজ বা মমি’র ফার্স্ট লুক ফেস্টিভালে মাত্র ১৮টা নির্বাচিত ফিচারের মধ্যে প্রথম বাংলা ছবি ছিলো ‘অন্যদিন...’। উৎসব শুরু হয়েছিলো কানে ক্যামেরা দ্য’র বিজয়ী ক্রোয়েশিয়ান ‘মুরিনা’ দিয়ে আর শেষ লোকার্নোতে গ্র্যান্ড প্রি বিজয়ী পোলিশ ছবি ‘ব্যালকনি’।
মমি’র ওয়েবসাইটে ‘অন্যদিন...’-এর সেগমেন্টকে বর্ণনা করা হয়েছিলো ‘আর্টিস্টিক মাস্টারপিস’ হিসেবে।
২০১৪ সালে সানড্যান্স থেকে গ্রান্ট অ্যাওয়ার্ড জয় করা ‘অন্যদিন...’ ছবির গল্প নিয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ কামার।
দশ বছরের বেশি সময় ধরে একটা ওয়াটার ট্রিলজি বা জলত্রয়ীর কাজ করছেন কামার, যেখানে প্রথম ছবি ‘শুনতে কি পাও!’ আর দ্বিতীয় ছবি ‘অন্যদিন...’ ।
শিগগিরই ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তির বিষয়ে ভাবছেন এই নির্মাতা।