শিল্প-সাহিত্যের প্রায় সবগুলো শাখায় দ্যুতি ছড়িয়ে হৃদয়ের মণিকোঠায় প্রোথিত আছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তার সৃষ্টিকর্ম বিশুদ্ধ বাতাসের মতো ছড়িয়ে যাচ্ছে যুগ-যুগান্তরে। বাংলাদেশে কবির গান-কবিতার প্রসারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা। তাদেরই উদ্যোগে রবিঠাকুরের ৮২তম প্রয়াণ দিবস (৬ আগস্ট) উপলক্ষে আয়োজন করা হয় দু’দিনের স্মরণানুষ্ঠান।
শুক্রবার (৪ আগস্ট) শুরু হয়ে দুই দিনের এই আয়োজন শেষ হয় শনিবার (৫ আগস্ট) রাতে।
দ্বিতীয় ও সমাপনী আয়োজনে ছিলো কবিগুরুর গান আর কবিতার সমাহার। এদিন শ্রাবণ সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব)-এর রিসার্চ বিল্ডিং মিলনায়তনে স্মরণানুষ্ঠানে শিল্পীদের একক পরিবেশনা মুগ্ধতা ছড়ায় উপস্থিত শ্রোতামনে। গান পরিবেশনায় সংস্থার শিল্পীদের পাশাপাশি ছিলেন আমন্ত্রিত শিল্পীরাও।
সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পীযূষ বড়ুয়া বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথের গান আবহমান কালের বাঙালি সংস্কৃতির মূল ধারাকে বিকশিত ও সমৃদ্ধ করেছে। রবীন্দ্রসংগীত হয়ে উঠেছে আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি বিকাশের অবলম্বন। তার সৃষ্টিকর্ম নিয়ে চর্চার মাধ্যমেই আমরা অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে লড়তে পারবো।’
গান পরিবেশনার পাশাপাশি রবীন্দ্র রচনাবলী থেকে পাঠ ও আবৃত্তি করেন মজুমদার বিপ্লব। সহযোগিতায় ছিলেন রাবিতা সাবাহ, সীমা সরকার, অনিকেত আচার্য, কনক খান, ছন্দাসহ আরও অনেকে।