বরাবরের মতো এই রমজানেও বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘রহমত’। পহেলা রমজান (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে প্রতিদিন বিকাল ৬টা ২০ মিনিটে প্রচার হবে নাটকটি।
আল আমিন স্বপনের রচনায় এবং মামুন আব্দুল্লাহর পরিচালনায় নাটকটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন। বৈশাখী টিভির অনুষ্ঠান বিভাগ প্রযোজিত এ নাটকের সংগীতায়োজনে আছেন নসরুল হক রনি ও রিফাত বিন কাউসার।
এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আব্দুল্লাহ্ রানা, মৌ শিখা, এম কে এইচ পামির, শেখ স্বপ্না, আশরাফুল আশীষ, মুসকান সিকদার, আলিফ চৌধুরী, ডিম্পল আহমেদ, নিপুণ আহমেদ, অধরা নিহারিকা, সিদ্দিক মাষ্টার, মনিরুজ্জামান মনি, হাসিমুন, শিশুশিল্পী রেহনুমা আরিবা, মাসুদ হারুন, আলমাস, ইমরান হোসেন হাসো, লেলিন মৃধা, সাভা তাবাসসুম, শৈশব আমিরী, শাহজাহান শোভন, হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
পরিচালক মামুন আব্দুল্লাহ বলেন, ‘নাটকের মূল উদ্দেশ্য পবিত্র রমজানে কোরান হাদিসের আলোকে মানুষকে সচেতন করা, যাবতীয় অন্যায় থেকে দূরে রাখা, ভালো ভালো কাজের প্রতি উৎসাহিত করা।’
নাটকের গল্প প্রসঙ্গে নির্মাতা জানান, মফস্বল শহরের একটি গ্রাম সুন্দরগঞ্জ। এ গ্রামেই পরিবার পরিজন নিয়ে বাস করেন আলী মাস্টার। সারাজীবন হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। তিন বছর আগে অবসর নিয়েছেন। তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে তিতলি স্বামীসহ এই বাড়িতেই থাকে। একমাত্র ছেলে মিঠু এবং ছোট মেয়ে তিশাও এ বাড়িতে থাকে। রমজান মাস। সেহরির খাবার টেবিলে আলী মাস্টার দুইটি ঘোষণা দেন- এক. আগামীকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাসায় যেন কোনও রান্না না করা হয়, দুই. পুরো রমজান মাসেই তিনি সেহেরি এবং ইফতারের সময় একজন করে মেহমান নিয়ে আসবেন। মেহমান বলতে গরিব দুঃখী মানুষকে বুঝিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে কেউ কোনও আপত্তি তুলতে পারবে না।
এভাবেই একের পর এক নানান চরিত্র যোগ হতে থাকে এই গল্পে। নানা ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে নাটকের কাহিনি।