না, এটিরও শেষতক কোনও চোখ-কান-নাক দাঁড়াচ্ছিল না। নামি নামি করেও নামা হচ্ছিল না ল্যান্ডে-ভূমিতে কিংবা শ্যুটিংয়ে। ফারকীর ভাষায়, ‘শীত সকালে পুকুরে নামার প্রাথমিক কান্ডের মতোই বিষয়টা।’ সঙ্গে এটাও বললেন, ‘ছবিটি আন্তর্জাতিক প্রজেক্ট হওয়ায় নানা হিসাব-নিকাশ কষতে হচ্ছে আমাদের। ইন্টারন্যাশনাল কাস্টিং, প্রডিউসার- সবমিলিয়ে প্রচুর প্রাথমিক কাজ। তাই এত সময় লাগছে। আশা করছি অক্টোবরের মধ্যে শ্যুটিংয়ে নেমে পড়বো। শীত কেটে যাবে ততদিনে।’
শীত কাটার অপেক্ষায় ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’ আরও ন’মাস পিছিয়ে গেলেও (আপাতত) ফারুকীর মাথায় এগিয়ে এসেছে নতুন কিছু। এবং সেটি নিয়ে এই শীতেই কম্বলমুড়ি গরম বিছানা ছাড়ছেন তিনি, ভ্রুক্ষেপ করছেন না কুয়াশার। ঘোষণা দিলেন আরেক ছবির। নাম তার ‘নো বেড অব রোজেস’। গল্পটিও সম্ভবত বাহির-ভূমি (নো ল্যান্ডস ম্যান) থেকে ঘরে-বিছানায় (নো বেড অব রোজেস) ফিরে আসার দৃশ্যকল্পে সাজানো।
‘নো বেড অব রোজেস’-এর গল্প ধরন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘আমার একটা ছবির সঙ্গে আরেকটার কোনও মিল নেই। স্বাদ ভিন্ন ভিন্ন। তাই একেক ছবিতে একেক ধরনের রেসপন্স ছিল। তার মাঝে সবচেয়ে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছেছে ‘থার্ড পারসন সিংগুলার নম্বর’ এবং ‘টেলিভিশন’। আমার ধারণা ‘নো বেড অব রোজেস’ সেটাকেও ছাড়িয়ে যাবে। কারণ গল্প আর গল্পের আবেগ মধ্যবিত্তের খুব চেনা। এটা হবে আমার প্রথম ইমোশনাল ড্রামা। এতদিন ঘরের বাইরের গল্প নিয়ে ছবি করেছি, এবার ঘরে ফিরতে চাই এবং এই শীতেই।’
/এমএম/