শিকারি’র এক দশক: সাফল্য, বিতর্ক আর উত্থানের গল্পে শাকিব

ঢালিউড কিং শাকিব খানের ক্যারিয়ারের বাঁক বদলের সোনালী সময় ২০১৬ থেকেই শুরু হয়। এর মধ্যে কিং খানের সেই যাত্রার এক দশক হলো।

২০১৬ সালের ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েছিল যৌথ প্রযোজনায় তার ‘শিকারি’ ছবিটি। এ সিনেমা মুক্তির পরে দর্শকের সামনে উন্মোচিত হয়েছিল শাকিবের নয়া অবতার। একই সঙ্গে শুরু হয়েছিল তার নতুন এক পথচলা।

‘শিকারি’র রেকর্ডভাঙা সাফল্য, দর্শকের বাঁধভাঙ্গা জোয়ার, এমনকি নজর এড়ায়নি সমালোচনাকারিদেরও।

সে সময় যারা দীর্ঘদিন শাকিবের বলয়ে থেকে সুবিধা ভোগ করে আসছিলেন তারাই নতুন তাকে ঠেকাতে উঠেপড়ে লেগেছিল। কিন্তু সব দেয়াল অতিক্রম করে এগিয়ে গেছেন অভিনেতা।

শাকিবের ভক্তদের অনেকেরই জানা নেই, যৌথ প্রযোজনার এই ‘শিকারি’ সিনেমার আগে ঢালিউডের আরও একটি ‘শিকারি’ সিনেমাতে অভিনয় করেছেন তিনি। সেই সিনেমায় সেকেন্ড নায়ক হিসেবে দেখা যায় তাকে। তাই এই ‘শিকারি’র প্রস্তাব পেয়ে তিনি চমকে ওঠেন।

সম্প্রতি জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাকিব নিজেই এটি জানান।

তিনি বলেন, ‘‘আমাকে যখন ‘শিকারি’র প্রস্তাব দেয় তখন আমি বলেছি এই সিনেমা তো আমি পূর্নিমার সঙ্গে করেছি। তারা বলেন, ওহ তাই কোথায়?  তখন আমি বলেছি, ভাই সে সিনেমায় আমি সেকেন্ড নায়ক ছিলাম। আমার অসুবিধা নেই আপনারা এই নামই দেন।''

যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘শিকারি’ ছবিতে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেন পশ্চিমবঙ্গের নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি।

শাকিব খানকে সর্বশেষ ‘রকস্টার’ সিনেমায় দেখা গেছে। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার ‘সোলজার’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন সাকিব ফাহাদ।

শাকিব খানের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ বছর (১৯৯৯-২০০৪) ছিল অস্তিত্ব রক্ষার ও টিকে থাকার কঠিন সংগ্রাম। ১৯৯৯ সালের ২৮ মে ‘অনন্ত ভালোবাসা’ সিনেমা দিয়ে অভিষেক ঘটে তার। ২০০৫ সালকে তার ক্যারিয়ারের প্রথম বড় পরিবর্তনের বছর বলা চলে। সে বছর মুক্তিপ্রাপ্ত ‘আমার স্বপ্ন তুমি’ সিনেমাটি তার রোমান্টিক হিরো হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা রাখে।