নিজের ক্যারিয়ারের পঞ্চাশ বছর পূর্তি, সেইসাথে ১৭১তম সিনেমা। দক্ষিণি সুপারস্টার রজনীকান্তের কাছে তাই অনেকদিক দিয়ে বিশেষ হয়ে আছে ‘কুলি’। ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। তরতরিয়ে চলছে হলে।
রজনীকান্তের ক্যারিয়ারের পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে ‘কুলি’ যেন বিশেষ হয়েই থাকবে, ইঙ্গিত দিচ্ছে এমনটাই। কারণ, তামিল সিনেমার ইতিহাসে ছবিটি রেকর্ড ভেঙেছে। অগ্রিম বুকিংয়েই ১০০ কোটি রুপি তুলে নেয় এটি। এরইমধ্যে সিনেমাটি ২৪০ কোটি রুপি আয় করেছে বলে জানা গেছে। এদিকে, বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ১৮ আগস্টের মধ্যে এটি বিশ্বব্যাপী ৩০০ কোটি রুপির ঘরে পৌঁছাবে।
এ কারণে বলা যেতেই পারে, লোকেশ কানাগরাজ পরিচালিত এবং কলানিধি মারানের সান পিকচার্স প্রযোজিত ‘কুলি’ ভারতীয় চলচ্চিত্রে রজনীকান্তের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে যেন। জানাচ্ছে শ্রদ্ধাঞ্জলিও।
মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, রজনীকান্তের আগের সমস্ত ছবি এবং ‘কুলি’র মধ্যে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। এমনিতেই পরিচালক লোকেশ কানাগরাজ, যিনি থালাপতি বিজয় অভিনীত দারুণ সব অ্যাকশন বাণিজ্যিক সিনেমার জন্য পরিচিত, তিনি ঠিক একই ধরণের একটি ছবিতে সুপারস্টারকে নিয়ে এসেছেন একেবারে ভিন্ন ভাবে। সেইসাথে এই সিনেমায় দেখা যাচ্ছে আরও বড় বড় তারকাকে।
তারকাদের মধ্যে রয়েছেন আমির খান, নাগার্জুন, উপেন্দ্র এবং সৌবিন শাহির মতো অভিনেতারা, যা রজনীকান্তের ক্যারিয়ারের মাইলফলক করে তুলেছে।
আরেকটি আকর্ষণীয়, বলা যায় অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিষয় হলো, ৭৪ বছর বয়সী রজনীকান্তের সঙ্গে এই সিনেমায় খুব কম বয়সী কোনও নায়িকাকে জুটি করা হয়নি। কারণ, এর আগে বেশিরভাগ সিনেমাতেই তার চেয়ে অনেক কম বয়সের নায়িকাকে জুটি করা হয়েছে। যা নিয়ে প্রশংসা যেমন তিনি পেয়েছেন, তেমনি সমালোচনার মুখোমুখিও হয়েছেন।
উল্লেখ্য, সিনেমাতে রজনীকান্তের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৭৫ সালে পরিচালক বালাচন্দরের হাত ধরে। এই সিনেমায় অভিনয়ের সময় নিজের শিবাজি রাও গায়কোয়াড় নাম পরিবর্তন করে তিনি হন রজনীকান্ত। সেই থেকে এখনও এই অভিনেতা নিজের অভিনয় ও স্টাইল দিয়ে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি