করিমা এল-মাহরউগ নামের একজন নর্তকীর (রুবি নামে পরিচিত) সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে যৌন সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার অভিযোগ থেকে ২০১৫ সালে নিস্কৃতি পান বার্লুসকোনি। সে সময় অপ্রাপ্ত বয়স্কা রুবি আদালতকে বলেন, বার্লুসকোনির সঙ্গে তার কোনও যৌন সম্পর্ক হয়নি। তিনি বন্ধুদের কাছে এ নিয়ে মিথ্যে বলেছিলেন।
তবে এবার তদন্তের ভিত্তিতে প্রসিকিউটররা অভিযোগ তুলেছেন, ৭৯ বছর বয়সী সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী তার ব্যাপারে আদালতে মুখ বন্ধ রাখার জন্য ড্যান্সার ও সোসাইটি গার্লদের প্রায় দশ মিলিয়ন ইউরো ঘুষ দিয়েছিলেন। প্রসিকিউটররা বলছেন, এরমধ্যে রুবিকে ৭ মিলিয়ন এবং অন্যদের ৩ মিলিয়ন ঘুষ দিয়েছিলেন বার্লুসকোনি। তাদের বয়ান কিনে নিতে ওই ড্যান্সারদেরকে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী নগদ অর্থ ও উপহার সামগ্রী দেন।
এই প্রেক্ষাপটে নতুন অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘুষের মাধ্যমে বার্লুসকোনি বিচারিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছেন।
প্রাথমিক শুনানি শেষে অ্যানা লরা এ বিচারপ্রক্রিয়াকে সাতটি আদালতের মধ্যে ভাগ করে দেন। তবে অভিযোগের বেশিরভাগটাই নিস্পত্তি হবে মিলানের আদালতে। আর মোনজা, পেসকারা, রোম সিয়েনা, ট্রেভিসো এবং তুরিনের আদালত একক মামলাগুলো দেখবে।
মিলান আদালতের রুলে বলা হয়, প্রথম যেসব জায়গায় দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সেসব শহরের আদালতেই এ নিয়ে বিচার হবে।
সিলভিওর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৫ সালে কর জালিয়াতির অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। তবে সে সময় তাকে জেলে না পাঠিয়ে বৃদ্ধদের সহায়তার কাজে নিয়োজিত করা হয়। এক সিনেটরকে ঘুষ প্রদানের অভিযোগে গত বছরের জুলাইতে নেপলস কোর্ট সিলভিওকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। তবে আক্ষরিকভাবে সে সাজাও খাটতে হয়নি তাকে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, আইবি টাইমস
/এফইউ/বিএ/