উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম হ্যাকড করে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাকাররা ৯৫১ মিলিয়ন ডলার চুরির চেষ্টা করে। পরে বেশ কিছু পেমেন্ট বন্ধ করে দিয়ে বেশিরভাগ অর্থচুরি ঠেকানো গেলেও ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনে স্থানান্তরে সক্ষম হন হ্যাকাররা। ওই অর্থ ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকের জুপিটার ব্রাঞ্চের চারটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। পরে তা চলে যায় ক্যাসিনোতে।
এই প্রেক্ষাপটে গত ২৮ এপ্রিল অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল ফিলরেমের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আনে। অভিযোগে বলা হয়, ক্যাসিনোতে যাবার আগে বাংলাদেশের রিজার্ভের এই টাকার ভুয়া লেনদেন এবং ফিলিপাইনের ব্যাংকের ভুয়া একাউন্টের মাধ্যমে স্থানান্তর ও লোপাটের পেছনে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে।
ফিলরেম এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে এ নিয়ে ফিলরেমের আর কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সূত্র: রয়টার্স
/বিএ/