এফবিআইয়ের নিউ ইয়র্কের কার্যালয়ে সাইবার শাখায় কর্মরত আছেন রিচার্ড। কনফারেন্সে রিচার্ডের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির কাজটি কোনও রাষ্ট্র সমর্থিত হ্যাকাররা করেছে নাকি এটি অভ্যন্তরীণ বিষয়। জবাবে রিচার্ড বলেন, ‘কারা জড়িত সে ব্যাপারে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনও উত্তর নেই। বেশ কয়েকটি সম্ভাবনাকেই আমরা খতিয়ে দেখছি। খুব দ্রুত যেন সমাধানে পৌঁছা যায় তার জন্য কাজ করে যাচ্ছি আমরা।’
এফবিআই, বাংলাদেশ পুলিশ এবং অন্য বিদেশি কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির তদন্ত চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি যায়। এর মধ্যে ২০ মিলিয়ন ডলার গ্রাহকের নাম ভুল করায় শ্রীলংকায় আটকে যায়, পরে তা ফেরত আনা হয়। বাকি ৮১ মিলিয়ন ডলার যায় ফিলিপাইনের একটি বেসরকারি ব্যাংকে। সেখান থেকে ক্যাসিনো হয়ে হংকংয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। সূত্র: দ্য স্টার
/এফইউ/