হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের ওবামা বলেন, ‘ইন্টারনেটে উগ্রপন্থীরা যে প্রচারণাগুলো চালাতো ওমর মতিন তার মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং উগ্রপন্থীদের ব্যাপারে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।’
ওবামার সুরে সুর মিলিয়ে কোমি দাবি করেন, মতিনের উগ্রপন্থায় জড়িত হওয়ার পেছনে অনলাইনের যে ভূমিকা ছিল সে ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত। তবে এখন পর্যন্ত মতিনের সঙ্গে বিদেশি জিঙ্গ সংগঠনগুলোর সরাসরি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
এফবিআইয়ের তদন্তে যে ধরনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে তাতে ওমর মতিন স্ব-প্ররোচিত হয়ে উগ্রপন্থায় যোগ দিয়েছেন। আর যদি সত্যি হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে যদি স্ব-প্ররোচিত উগ্রপন্থী থাকে তবে তাদের খুঁজে বের করা কঠিন বলে মনে করেন ওবামা। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে যদি স্ব-প্ররোচিত উগ্রপন্থী থাকে তবে সামনের দিনগুলোতে তাদের খুঁজে বের করা মুশকিল হবে। আর তাদের হাতে অস্ত্র চলে যাওয়াটাও খুব সহজ হবে। তবে তারা এ ধরনের হামলা চালাতে সক্ষম হবে কিনা সেটা আলাদা বিষয়।’
উল্লেখ্য,শনিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো শহরের পালস নাইটক্লাবে ঢুকে গুলি চালান ওমর মতিন নামক এক ব্যক্তি। এরপর তিনি নাইটক্লাবে অবস্থান করা লোকজনকে জিম্মি করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়,জরুরি সাহায্যের জন্য দেওয়া ৯১১ নম্বরে ফোন করে ওমর নিজেই ওই হামলার কথা জানান। সে সময় ওমর নিজেকে আইএসের অনুগত বলে দাবি করেন। ওমর মতিনের কাছে একটি রাইফেল,একটি পিস্তল এবং দুটি সন্দেহজনক যন্ত্র ছিল বলে পুলিশ জানায়। স্থানীয় সময় আনুমানিক ভোর ৫টার দিকে সোয়াটের বিশেষ কমান্ডোরা জিম্মিদের মুক্ত করার জন্য অভিযান চালান। ওই অভিযানে ওমর মতিন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এদিকে প্রাথমিক তদন্ত শেষে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই জানিয়েছে, ওমর মতিন কেবল আইএসই নয় আরও অনেক জঙ্গি সংগঠনের প্রতি অনুগত ছিলেন। সূত্র: গার্ডিয়ান
/এফইউ/