গার্ডিয়ানের সম্পাদকীয়তে উঠে এসেছে জো কক্সের গত বছরের এক বিবৃতি। বিবৃতিতে তিনি মন্তব্য করেন, শরণার্থীরাই ব্রিটেনের সম্প্রদায়গুলোকে বিকশিত করেছে। তিনি বলেন, ‘সেই শরণার্থীদের কেউ একজন আইরিশ ক্যাথলিক হতে পারেন কিংবা হতে পারেন গুজরাট কিংবা পাকিস্তান অথবা মুখ্যত কাশ্মির থেকে আসা একজন মুসলমান’। জো বলেন, ‘আমরা যখন আমাদের বৈচিত্র্যের দিকে তাকাই, তখন বারবার আমরা বিষ্মিত হোই যে ভিন্নতার চেয়ে আমাদের মধ্যে অভিন্নতা আর ঐক্যই বেশি।’
এই বিশ্বাসের সঙ্গেই বাস করতেন জো কক্স। জীবন শুরু করেছিলেন মানবমুখী কর্মকাণ্ড দিয়েই। ত্রাণকর্মী ছিলেন তিনি। পরে রাজনীতির মধ্য দিয়ে জনকল্যাণের বাসনা নিয়ে লেবার রাজনীতিতে যুক্ত হন। বৈচিত্র্য আর সম্মিলনের মানবিক প্রেরণার কারণেই তিনি সরব ছিলেন বিপন্ন সিরীয় শরণার্থীদের নিয়ে। তাদের জন্য একনিষ্ঠ সংগ্রাম জারি রেখেছিলেন জো কক্স। গার্ডিয়ানের আশঙ্কা এইসব কারণেই কট্টরপন্থী জাতীয়তাবাদীদের রোষের শিকার হয়ে থাকতে পারেন তিনি।
উল্লেখ্য, জো হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এরইমধ্যে একজন কট্টরপন্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ‘ব্রিটেন ফাস্ট’ বলে চিৎকার করে জো’কে হত্যা করা হয়েছে যিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। রক্ষণশীল জাতীয়তাবাদের কাছে যে অবস্থান মেনে নেওয়ার মতো নয়। সূত্র: গার্ডিয়ান
/বিএ/