ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়েছে, অতীতে টমি মায়ারের মানসিক অসুস্থতার রেকর্ড রয়েছে বলে দাবি করেছেন তার ছোট ভাই। মায়ারের ছোট ভাই জানিয়েছেন, সাইকোথেরাপি (মনোসমীক্ষার) ও মেডিটেশনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, স্কটল্যান্ডের কিলমারনকে জন্মগ্রহণের পরও এস.এ প্যাট্রিয়ট নামে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি ম্যাগাজিনের সাবস্ক্রাইবার হিসেবে মায়ারকে শনাক্ত করা হয়েছে। এক দশকের পুরনো ওই ম্যাগাজিনটি হোয়াইট রাইনো ক্লাব নামে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বর্ণবাদী গোষ্ঠী প্রকাশ করতো। ম্যাগাজিনটির সম্পাদকীয় দৃষ্টিভঙ্গি ‘বহু-সংস্কৃতির সমাজ’ ও ‘ইসলামের প্রসারের’ ধারণার বিরোধী বলে উল্লেখ করে ক্লাবটি। ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে মায়ারকে এস.এ প্যাট্রিয়টের প্রথম দিককার সাবস্ক্রাইবার ও সমর্থক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে মায়ারের ছোট ভাইয়ের দাবি, মায়ার সহিংস ছিলেন না। কোনও ধরনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাও ছিল না তার। ছোটভাই এমনকি জানতেন না, কোন দলকে ভোট দিতেন মায়ার। প্রতিবেশিরাও তাকে শান্ত মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রতিবেশিদের বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানায়, ৪০ বছর একই বাড়িতে থাকার পরও আশেপাশের মানুষদের সঙ্গে মায়ারের খুব একটা কথা হতো না।
বৃহস্পতিবার দুর্বৃত্তের গুলিতে তিনি নিহত হন জো কক্স। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বিরোধী দল লেবার পার্টির ব্যাটলি অ্যান্ড স্পেন আসনের এমপি ছিলেন তিনি। জো কক্স ব্রিটেনের ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) থাকার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের ব্রিস্টলে একটি লাইব্রেরির কাছে তার ওপর গুলিবর্ষণ ও ছুরিকাঘাত করেন এক অজ্ঞাত ব্যক্তি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৫২ বছর বয়সী টমি মায়ারকে আটক করে।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান
/এফইউ/বিএ/