প্রশ্নের মুখে বিশ্বের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মানুষের জীবনের চেয়েও গোপন গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ!

বিখ্যাত ব্রিটিশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মানুষের জীবনের চেয়েও গোপন গবেষণাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এক ইতালীয়-শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ যথাযথ সহযোগিতা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন সে দেশের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিও জিরো।  

3000

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ডক্টরেট শিক্ষার্থীর নাম জুলিও। গবেষণাকাজে মিসরে গিয়েছিলেন। গত ২৫ জানুয়ারি বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে গুম হন তিনি। এক সপ্তাহের মাথায় তার নির্যাতনের চিহ্নযুক্ত মরদেহ উদ্ধার করে মিসরীয় পুলিশ।

640

সেই রিজেইনির মৃত্যুর ঘটনা তদন্তেই ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় অসহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ইতালির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিও জিরো। এক টুইটার বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, গবেষণাকাজে নিয়োজিত শিক্ষার্থীর জীবনের নিরাপত্তার প্রশ্নে অসতর্ক ছিল ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়।

মিসরে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর ইস্যু শ্রমিক ইউনিয়ন নিয়ে গবেষণার কাজ করছিলেন রিজেইনি। ওই গোপন গবেষণা চালানোর জন্য মিসরের রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলোও মনে করে, রিজেইনি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার।

আরও পড়ুন: নিহত ব্রিটিশ এমপির স্বামীর সঙ্গে ওবামার ফোনালাপ

এই প্রেক্ষাপটে ইতালীর অভিযোগ, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে গোপন গবেষণা মানুষের জীবনের থেকেও মূল্যবান। এদিকে মন্তব্যের ব্যখ্যা জানতে চাইলে মারিও জিরো সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে বলেন, মিশরে রিজেইনির গবেষণা বিষয়ে রোমের প্রধান আইনজীবী বিস্তারিত তথ্য চাইলে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় যে ‘নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া’ দেখিয়েছে তাতে তিনি ‘হতভম্ব’ হয়ে গেছেন।

অবশ্য শুরু থেকেই রিজেইনি খুনের দায় অস্বীকার করে আসছে মিসরের সরকার। তাদের দাবি, সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসের শিকার  হয়ে খুন হয়েছেন রিজেইনি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

/ইউআর/বিএ/